৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়-অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম
কুষ্টিয়ার মিরপুরে ৭ নভেম্বর ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস পালিত হয়েছে। শুক্রবার বিকেল ৩টায় মিরপুর জিয়া রোডে দিবসটি পালন উপলক্ষে উপজেলা ও পৌর বিএনপি কতৃর্ক আয়োজিত বর্নাঢ্য র্যারী শেষে মিরপুর বাজারে সমাবেশে প্রধান অতিথি’র বক্তব্য রাখেন, কুষ্টিয়া-২ (মিরপুর-ভেড়ামারা) আসনের সাবেক তিনবারের সংসদ সদস্য, জেলা বিএনপি’র সাবেক সভাপতি, সংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাবেক সভাপতি ও বিএনপি জাতীয় নির্বাহী কমিটির অন্যতম সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ¦ অধ্যাপক শহীদুল ইসলাম। প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে তিনি বলেন, ৭ নভেম্বর একটি ঐতিহাসিক জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস। এদিন সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মাধ্যমে গৃহবন্দী জিয়াউর রহমান মুক্তি পান। সিপাহি ও জনতা মিলে তাকে মুক্ত করেন। দিনটি আমাদের কাছে এবং জাতির কাছে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এ বছর দিবসটির ৫০ বছর পূর্তি হলো।
তিনি আরো বলেন, বহুল আলোচিত ৭ নভেম্বর জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসটি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে পট-পরিবর্তনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। ১৯৭৫ সালের এদিনে জেনারেল জিয়াউর রহমান দেশের ক্ষমতার কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসে। এরপর সেনাবাহিনীর ভেতর ও বাহিরে অভ্যুত্থান ও পাল্টা অভ্যুত্থানের মধ্যেও জিয়াউর রহমান বিশৃঙ্খলতার মধ্যে দেশকে স্থিতিশীলতার দিকে নিয়ে যায়।
তিনি আরো বলেন, ৭ নভেম্বর ছিল “সৈনিক ও জনতার” যৌথ বিপ্লবের দিন, যেদিন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় জাতি ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল। “জাতীয় সংহতি” গঠনের সূচনা হয়েছিল। জিয়াউর রহমানের আহ্বানে “বাংলাদেশী জাতীয়তাবাদ” ধারণার ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক শক্তি ঐক্যবদ্ধ হয়। বিএনপি এই ঘটনাকে জাতীয় ঐক্যের সূচনা হিসেবে দেখে। ৭ নভেম্বরের বিপ্লব সেনাবাহিনীর ভেতরে বিভাজন দূর করে শৃঙ্খলা ও সংহতি পুনঃস্থাপন করেছিল।
এসময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা বিএনপি’র সভাপতি আশরাফুজ্জামান শাহীন, সিনিয়র সহ সভাপতি খন্দকার ওমর ফারুক কুদ্দুস, সাধারণ সম্পাদক খন্দকার টিপু সুলতান, পৌর বিএনপি’র সভাপতি আব্দুর রশিদ, উপজেলা বিএনপি’র সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক বাবু, সাবেক দপ্তর সম্পাদক মারফত আফ্রিদী, সাবেক প্রচার সম্পাদক বিল্লাল হোসেন, উপজেলা মহিলা দলের সদস্য সচিব সাজেদা রশিদ, মহিলা নেত্রী সীমা খাতুন, জেলা যুবদলের সাবেক সহ সভাপতি এমদাদুল হক এমদাদ, পৌর যুবদলের আহবায়ক সংগ্রাম খান জিল্লু প্রমুখ। জিয়া রোডে সমাবেশ শেষে একটি বর্নাঢ্য র্যালী বাজারের প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ করে কর্মসূচি শেষ করেন।