রফিকুল ইসলাম (বাঘা রফিক)
বিএনপি যখন খুবই দূর্দিনে, রাজপথে মিছিল মিটিং করতে নেতা কর্মীরা যখন ভয় পেত,তখন যে কয়জন মশাল মিছিল, ঝটিকা মিছিল, লিফলেট বিতরণ, সহ সংক্ষিপ্ত প্রোগ্রাম গুলো হত ঐ সব প্রোগ্রামের নেতৃত্ব দিতো এই বাঘা রফিক। বন্দুকের নলের সামনে বুক পেতে দিতে ভয় পেতো না, তার থেকে নাম হল বাঘা রফিক।মালিহাদ এলাকার স্বনামধন্য সমাজসেবক আয়েন উদ্দিন মন্ডলের পুত্র রফিকুল ইসলাম। এলাকার ধর্মীয় ও সামাজিক প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠায় আয়েন মন্ডলের ব্যাপক অবদান আছে।তারই পুত্র বাঘা রফিক এসএসসি ১৯৯৪ সালে এসএসসি পাস করে মিরপুর মাহমুদা চৌধুরী কলেজে ভর্তি হন। মিরপুর মাহমুদ চৌধুরী কলেজ ছাত্রদলের সঙ্গে তিনি রাজনীতি শুরু করেন, তারপরে তিনি মিরপুর মাহমুদা চৌধুরী কলেজ ছাত্রদলের সভাপতি নির্বাচিত হন। যুবদলের মিরপুর উপজেলা যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক, মিরপুর থানা বিএনপি যুব বিষয়ক সম্পাদক, বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব পদে ইতিপূর্বে দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি মিরপুর উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলে আহবায়ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। রাজনৈতিক জীবনে তার নামে মোট ৯টি মামলা হয়। এবং একবার তিনি এবং তার বাবা সহ কারো বরণ করেন। বিগত সরকারের আমলে তার নামে মিরপুর থানায় তিনটা এবং কুষ্টিয়া সদর থানায় একটা মোট ৪টা নাশকতা মামলা দেওয়া হয়।এই নাশকতা মামলা মাথায় নিয়েও সরকার বিরোধী তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলেন।হরতাল অবরোধ অসহযোগ আন্দোলন প্রত্যেকটা কর্মসূচিতে তার সাধ্যমত সফল করার জন্য কঠিন ভূমিকা রাখেন।আন্দোলন সংগ্রামে নিজের সাধ্যমত শ্রম দিয়েছে দলকে,এখন দেখার বিষয় দল তাঁকে কি দেয়। আগামী স্হানীয় নির্বাচনে সেও মালিহাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রার্থী,দল যদি তাকে নমিনেশন দেয় তবে, সেও বয়ে আনতে পারে বিএনপির হারানো গৌরব।
মোঃ নূর এ আল আমীন বুলবুল –
মালিহাদ ইউনিয়নের প্রতিষ্ঠা কালিন বিএনপির সভাপতি,১৯৭৬ সাল হতে ১৯৮৩ সাল পর্যন্ত মালিহাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান,আশাননগর গ্রামের মরহুম আজম আলী বিশ্বাসের পুত্র নুর এ আল আমীন বুলবুল জন্মগতভাবেই বিএনপির রাজনীতিতে জড়িত।বুলবুল মালিহাদ ইউনিয়ন ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি , মালিহাদ ইউনিয়ন যুবদলের সাবেক সভাপতি ও মালিহাদ ইউনিয়ন বিএনপির বর্তমান সভাপতি।তিনি ২০১১ সালে বিএনপি সমর্থিত ও ২০১৬ বিএনপি মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করেন।নির্বাচনে জনগণের ভোটে নির্বাচিত হলেও বিগত ফ্যাসিবাদ সরকার ফলাফল কারচুপি করে তাঁকে হারিয়ে দিয়েছে।গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে তিনি ছিলেন রাজপথের সাহসী যোদ্ধা। তাঁর নামে ৪টি রাজনৈতিক মামলা হয়েছে। রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ডে তিনি দলের আদর্শ বুকে লালন করে জনগণকে দলের প্রতি আকৃষ্ট করেছেন।এলাকায় মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে যুব সমাজকে খেলা-ধুলার মাধ্যমে উজ্জীবিত রেখেছেন। এলাকার রাস্তা-ঘাট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন সহ অসহায় মানুষের বিপদে পাশে দাড়িয়েছেন।এবং সমাজে ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় বলিষ্ঠ নেতৃত্ব দিয়ে প্রশংসনীয় ভূমিকা পালন করে চলেছেন।

